জেনে নিন কোন নিয়মে পিল খেতে হয় । পিল খাওয়ার নিয়ম

সাধারণত অধিকাংশ নারীরাই দেরিতে সন্তান প্রসবের জন্য জন্মনিয়ন্ত্রক পদ্ধতি হিসেবে পিল খেয়ে থাকেন। জন্মনিয়ন্ত্রক বাকি পদ্ধতি গুলোর তুলনায় নারীরা বেশিরভাগ পিল খেতেই পছন্দ করেন। তবে যাদেরই নতুন বিবাহ হয়েছে, তারা অনেকেই ইমারজেন্সি পিল খাওয়ার নিয়ম কি তা জানে না।

সাধারণত অসতর্কতা বসত অথবা অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের পর যখন একজন নারীর গর্ভধারণের ঝুঁকি বেড়ে যায়, তখন তিনি পিল খেয়ে থাকেন। বিভিন্ন ধরনেরই পিল রয়েছে। তবে কোন পিল কি নিয়মে খেতে হবে তা না জানার কারণে হতে পারে অনেক ক্ষতি।

প্রিয় পাঠক আজকের আর্টিকেলে আমি পিল খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করেছি। এর পাশাপাশি পিল খেলে কি কি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিবে সে সম্পর্কেও আলোচনা করেছি। তাই পুরো আর্টিকেলটি অবশ্যই মনোযোগ সহকারে পড়বেন।




{getToc} $title={Table of Contents} $count={Boolean}

জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি বা পিল কি

পিল খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানার আগে আমাদের জেনে নিতে হবে জন্মনিয়ন্ত্রক বরি বা পিল কি? তারপর আমরা জানবো জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়ার নিয়ম। সাধারণত যে ধরনের পিল বা বড়ি হল এক ধরনের হরমোন। যা নারীর ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু বের করতে বাধা দেয়। যার ফলে পুরুষের শুক্রানুর সাথে ডিম্বাশয়ের মিলন হয় না।

এর ফলে একজন নারী সহবাসের পরও গর্ভধারণ করে না। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি বা পিল খেলে ৯৯.৯ শতাংশ গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে না। অধিকাংশ জন্মনিরোধক পিলই হল খাওয়ার ঔষধ। যাতে আছে এস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টিন হরমোন।


বাজারে বেশ কয়েক ধরনের জন্ম নিয়ন্ত্রক পিল পাওয়া যায়। এর মধ্যে কিছু পিল আছে যেগুলো সহবাসের আগ মুহূর্তে খেতে হয়। আবার কিছু পিল আছে যেগুলো সহবাসের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে খেতে হয়। এবং আরো এক ধরনের পিল আছে যেগুলো পুরো মাস ব্যাপী একজন নারীকে গ্রহণ করতে হয়। বাজারে এখনো পর্যন্ত কোন পুরুষের খাওয়ার পিল বের হয়নি।

পিল কেন খেতে হয়

পিল খাওয়ার নিয়ম আছে। তবে অনেকেই হয়তো জানে না যে পিল কেন খেতে হয়? মূলত অনিরাপদ ও অসময়ে গর্ভধারণ নিয়ন্ত্রণের জন্যই পিল খাওয়া হয়। সহবাসের পর যদি একজন নারী সঠিক সময় পিল গ্রহণ না করে, তবে অনেক ক্ষেত্রে সে গর্ভবতী হয়ে যেতে পারে। তবে এই পিল খাওয়ার মাধ্যমেই তিনি তার গর্ভধারণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।

পিল গ্রহণের মাধ্যমে একজন নারী কিছুতেই দীর্ঘমেয়াদী গর্ভধারণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। মূলত নারীর গর্ভপাত না করে ওভুলেসন অথবা ডিম্বস্ফুটনের সময়কে পিছিয়ে দেয় পিল। মোট কথা হল কেউ যদি সহবাসের পরও সন্তান নিতে প্রস্তুত না হয়, তবে সে চাইলে জন্ম নিয়ন্ত্রক পিল খেতে পারে। তবে অবশ্যই পিল খাওয়ার নিয়ম গুলো জেনে পিল সেবন করতে হবে।

পিল খাওয়ার নিয়ম-ইমারজেন্সি পিল খাওয়ার নিয়ম

পিল খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জেনে পিল খেলে এর উপকারিতা পাওয়া যায়। অনেকেই ইমারজেন্সি পিল খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানেনা। আপনি যদি ইমার্জেন্সি পিল খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে না জানেন, তাহলে পিল খাওয়ার পরও আপনি আপনার অনিরাপদ গর্ভধারণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। তাই পিল খাওয়ার পূর্বে অবশ্যই বড়ি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানা উচিত।

ইমারজেন্সি পিল খাওয়ার নিয়মঃ

  • সাধারণত বাংলাদেশে যে ধরনের খাওয়ার পিল পাওয়া যায়, সেগুলোর মধ্যে ২১ টি সাদা বড়ি (গর্ভনিরোধক পিল যেগুলো আসল উপাদান হরমোন) এবং মোট সাতটি খয়রি রঙের বড়ি থাকে। আবার কখনো কখনো দেখা যায় যে কিছু বড়ির মধ্যে শুধুমাত্র ২১টি সাদা বড়ি থাকে।
  • সাধারণত একজন নারী যখন পিল খাবে, তখন মাসিকের প্রথম দিন থেকেই সাদা বড়ি খাওয়া শুরু করবে। তিনি চাইলে মাসিকের প্রথম থেকে পঞ্চম দিন, যে কোন একটি দিনের মধ্যেই বড়ি খাওয়া শুরু করতে পারে। অধিকাংশ পিলের মধ্যেই নিশানা হিসেবে তীর চিহ্ন বা আঙুল এর চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। আর সেই নিশানা বা চিহ্ন অনুযায়ী প্রথম দিন থেকেই প্রথম বড়ি থেকে শুরু করে ২১ দিনে মোট ২১টি বড়ি খেতে হবে।
  • নিশানা বা চিহ্ন অনুযায়ী ২১ দিনে মোট ২১ টি বড়ি খাওয়ার পর সাতটি খয়রি বড়ি খাওয়া শুরু করতে হবে। এবং একইভাবে সাত দিনে মোট সাতটি খয়রি বড়ি খেতে হবে। খয়রি বড়িগুলো খাওয়ার সময় মাসিক শুরু হয়। তবে মাসিক শুরু হওয়ার পরও খয়রি বড়ি খাওয়া বন্ধ করা যাবে না৷
  • খয়রি সাতটি বড়ি খাওয়া চলাকালীন সময়ে কারো মাসিক হোক বা না হোক সাতটি বড়ি খেয়ে পাতা শেষ করতে হবে। এবং পাতা শেষ হয়ে গেলে পুনরায় নতুন পাতা কিনে আগের মতো সাদা বড়ি থেকে একই নিয়মে খাওয়া শুরু করতে হবে।
  • অনেক পিল আছে যেগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ২১টি বড়ি থাকে। সেক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী ২১ টি বড়ি খেতে হবে এবং মাসিকের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
  • খাবার বড়িগুলো অবশ্যই পানি দিয়ে গিলে খেতে হবে। খাবার বড়ি গুলো রাতে খাওয়াই উত্তম।

নোরিক্স পিল খাওয়ার নিয়ম

পিল খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জেনে গেলেন। নোরিক্স নামক এক ধরনের পিল আছে। অনেকেই জানতে চায় নোরিক্স পিল খাওয়ার নিয়ম কেমন? এটিও মূলত সহবাসের পর অনিরাপদ গর্ভধারণ নিয়ন্ত্রণ এর জন্য ব্যবহার করা হয়। সহবাসের ক্ষেত্রে স্বামী যদি কনডম ব্যবহার করতে ভুলে যায়,অথবা স্ত্রীর যদি পূর্বে দীর্ঘমেয়াদী পিল খাওয়ার অভ্যাস না থাকে সেক্ষেত্রে একজন নারী তার সহবাসের পর নোরিক্স পিল খেতে পারেন।

জেনে নিন কোন নিয়মে পিল খেতে হয়-পিল খাওয়ার নিয়ম

এই নোরিক্স পিল এর মধ্যে শুধুমাত্র একটি বড়ি থাকে। অর্থাৎ সহবাসের পর গর্ভধারণ নিয়ন্ত্রণ করতে একটি পিল খাওয়াই যথেষ্ট। সাধারণত স্বামী স্ত্রী যখন সহবাস করবে, সহবাসের ১২ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একজন নারীকে এই পিলটি গ্রহণ করতে হবে। নোরিক্স পিল খাওয়ার নিয়ম এমনই। কেউ যদি সহবাসের ৭২ ঘন্টা পর এই পিল খায়, তাহলে এই পিলের কার্যকারিতা থাকে না। ফলে অনিরাপদ গর্ভধারণের সম্ভাবনা থেকে যায়।

মিনিকন পিল খাওয়ার নিয়ম

পিল খাওয়ার নিয়ম অনুযায়ী পিল গ্রহণ করলে গর্ভধারণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। মিনিকন পিল খাওয়ার নিয়ম অনেকে জানতে চায়। মিনিকন পিল হলো এক ধরনের স্বল্পমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি। যারা সন্তানদেরকে বুকের দুধ পান করান, সে সকল নারীদের জন্য এই পিলটি বেশ উপকারী।

এই পিলের মধ্যে সাধারণত ২৮টি বড়ি থাকে। ২১টি সাদা বড়ি এবং সাতটি খয়েরী বড়ি। জেনে নিন মিনিকন পিল খাওয়ার নিয়মঃ

  • মাসিকের প্রথম দিন থেকে সাদা বড়ি দিয়ে শুরু করতে হবে।
  • মাসিকের প্রথম দিন থেকে শুরু করে ২১ দিনে মোট ২১ টি বড়ি খেতে হবে।
  • ২১ টি বড়ি খাওয়া হয়ে গেলে সাতটি খয়রি বড়ি খাওয়া শুরু করতে হবে। এবং ৭ দিনে মোট সাতটি খয়রি বড়ি খেতে হবে।
  • সাতটি খয়রি বড়ি খাওয়ার সময় মাসিক শুরু হবে। তবে মাসিক শুরু না হলেও এই সাতটি বড়ি খাওয়া বন্ধ দেওয়া যাবে না।
  • সাতটি বড়ি খাওয়া সম্পন্ন হয়ে গেলে পুনরায় নতুন পাতা কিনে আবারো সাদা বড়ি থেকে খাওয়া শুরু করতে হবে।
  • বড়ির গায়ে আঙ্গুল চিহ্ন দেওয়া আছে। সে চিহ্ন অনুযায়ী বড়ি খেতে হবে।

উপরোক্ত নিয়ম অবলম্বন করে মিনিকন পিল খেতে হবে। তবে কেউ যদি পিল খাওয়া ভুলে যায়,তাহলে যখনই মনে পড়বে তখনই পিল খেয়ে নিন।

সুখী পিল খাওয়ার নিয়ম

মিশ্র বড়ি এর মধ্যে সুখী পিল হলো একটি। এগুলো দোকানেও কিনতে পাওয়া যায়। অনেকেই সুখী পিল খাওয়ার নিয়ম জানেন না। সুখী পিলের মধ্যেও বাকি পিলের মতোই মোট ২৮ টি পিল থাকে।

সুখী পিল খাওয়ার নিয়ম হলো মাসিকের প্রথম দিন থেকে সাদা মোট ২১ টি বড়ি খাওয়া শুরু করা। ২১ টি বড়ি খাওয়া সম্পন্ন হলে সাতটি খয়রি বড়ি খাওয়া শুরু করা। তবে এখানে সতর্কতার একটি বিষয় রয়েছে। খয়রি বড়ি খাওয়ার সময় সাধারণত মাসিক হয়ে যায়। তবে মাসিক হোক বা না হোক কিছুতেই খয়রি বড়ি খাওয়া বন্ধ করা যাবে না।

এবং খয়রি বড়ি খাওয়াকালীন সময়ে সহবাস করা যাবে না। কারণ এ সময় মাসিক হয়ে থাকে। আর মাসিক শেষ হওয়ার পর এ সময় যদি কেউ সহবাস করে, তবে গর্ভধারণের ঝুঁকি থেকে যায়। তাই এ সময় সহবাস করা থেকে দূরে থাকুন।

আপন পিল খাওয়ার নিয়ম

আপন পিল হল এক ধরনে জন্মবিরতিকরণ খাবার বড়ি। অনিয়ন্ত্রিত গর্ভধারণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সাধারণত সরকারিভাবে বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং পরিবার পরিকল্পনা সংস্থা থেকে এই পিলটি মহিলাদেরকে খেতে দেওয়া হয়। সাধারণত যারা সন্তানদের বুকের দুধ পান করান, অর্থাৎ সন্তান জন্মদান থেকে শিশুর ছয় মাস বয়স পর্যন্ত মায়েরা তাদের অনিয়ন্ত্রিত গর্ভধারণের লক্ষ্যে এই পিলটি খেতে পারেন। বাচ্চা হওয়ার পর পিল খাওয়ার নিয়ম জানতে চাইলে এই পিল খেতে পারেন।


আপন পিল এর মধ্যেও মোট ২১ টি সাদা বড়ি ও সাতটি খয়রি বড়ি আছে। মাসিকের শুরুর দিন বড়ির গায়ে দেওয়া চিহ্ন অনুযায়ী সাদা বড়ি দিয়ে শুরু করতে হবে। এবং ২১ দিনে ২১ টি সাদা বড়ি খেয়ে শেষ করতে হবে। সাদা বড়ি খাওয়া শেষ হলে সাতটি খয়রি বড়ি দিয়ে শুরু করতে হবে। এবং সাত দিনের সাতটি খয়রি বড়ি খাওয়া শেষ করতে হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র অথবা পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে আপনি এটি বিনামূল্যেই সংগ্রহ করতে পারেন।

পিল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

অনিয়ন্ত্রিত গর্ভধারণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ও সাধারণত পিল খাওয়া হয়। তবে এই পিল খাওয়ার বিশেষ কিছু উপকারিতা এবং অপকারিতা রয়েছে। একজন নারীর অবশ্যই পিল খাওয়ার পূর্বে এসব অপকারিতা এবং উপকারিতার সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। মহিলাদের মূলত ডিম্বস্ফুটন বা অভুলেশন এর পরই সে গর্ভধারণ করে। 

তবে কেউ যদি ইমারজেন্সি পিল খাওয়ার নিয়ম এবং পিল খাওয়ার উপকারিতা এবং অপকারিতা সম্পর্কে না জানে, তবে সেই অভুলেশনের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিবে। সেক্ষেত্রে কেউ চাইলেও গর্ভধারণ করতে পারবে না, আবার কেউ না চাইলেও গর্ভধারণ করে ফেলবে। পিল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতাঃ

পিল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

উপকারিতা

  • অনিয়ন্ত্রিত গর্ভধারণ রোধ করা সম্ভব।
  • পিল খেলে আর গর্ভপাত করতে হয় না। গর্ভপাতের ঝামেলা ছাড়াই জন্মনিয়ন্ত্রণ করা যায়।
  • সঠিক সময়ে সন্তান জন্ম দিতে না চাইলে অনেকেই,গর্ভের সন্তান আসার পর প্রচুর পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে এম আর আই করে থাকে। সেক্ষেত্রে কেউ যদি পিল খায়,তাহলে আর এই ঝামেলায় পড়তে হবে না।
  • জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খেলে জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য আলাদা করে কোন ইনজেকশন গ্রহণ করতে হবে না।

অপকারিতা

  • মনে করে সময় মতো খেতে হয়। মনে করে পিল না খেলে গর্ভধারণের ঝুঁকি থাকে।
  • পিল খাওয়ার পরে অনেকেরই শারীরিক পরিবর্তন দেখা দেয়। বিশেষ করে মেয়েদের দেহ মোটা হয়ে যায়।
  • পিল খেলে অনেক সময় মুড সুইং হয়।
  • পিল খাওয়া বন্ধ করে দিলে গর্ভধারণ হয়ে যায়।

অবশেষে

প্রিয় পাঠক আজকের আর্টিকেলে আমি জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি বা পিল কিভাবে খেতে হয় তা সম্পর্কে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করবো আজকের আর্টিকেলটি আপনাদের কাছে পড়ে ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে তবে শেয়ার করে দিন। ধন্যবাদ।


পিল খাওয়ার নিয়ম (FAQ)

১) কোন পিল সবচেয়ে ভালো?

উত্তরঃ আপন পিল সবচেয়ে ভালো। কারন এতে ইস্ট্রোজেন হরমোনের পরিমাণ কিছুটা কম থাকে।

২) পিল খাওয়ার পরেও কি প্রেগন্যান্ট হয়?

উত্তরঃ সঠিক নিয়মে পিল না খেলে প্রেগন্যান্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে কেউ যদি নিয়ম মাফিক পিল খেয়ে থাকে, তার গর্ভধারণ ৯৯.৯ শতাংশ রোধ করা সম্ভব।

৩) অনিয়মিত পিল খেলে কি হয়?

উত্তরঃ অনিয়মিত পিল খেলে গর্ভধারণের ঝুঁকি থাকে।

৪) পিল কখন খাওয়া শুরু করব?

উত্তরঃ যে সকল পিলের মধ্যে ২১ টি সাদা বড়ি এবং সাতটি খয়রি বড়ি থাকে,সেই ধরনের পিলগুলো মাসিকের প্রথম দিন থেকেই খাওয়া শুরু করতে হবে এবং সাদা বড়ি দিয়ে শুরু করতে হবে।

৫) আমি কি ৭২ ঘন্টা পর সকালে পিল খেতে পারি?

উত্তরঃ যে ধরনের পিল গুলো সহবাসের ১২ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে খেতে হয়,এগুলো ৭২ ঘন্টা পরে খেলে এর কার্যকারিতা থাকে না। ফলে গর্ভধারণের ঝুঁকি থাকে।

৬) ইমারজেন্সি পিল খাওয়া কি ক্ষতিকর?

উত্তরঃ অধিক পরিমাণে খেলে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।

Previous Post Next Post